/indian-express-bangla/media/media_files/2024/10/25/nsKbcD18Te2RtvfRfhvO.jpg)
Shoaib Akhtar-Pakistan Cricket Board: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্পিন-সহায়ক পিচ বানানোর অভিযোগ শোয়েবের। (ছবি- এক্সপ্রেস)
Shoaib Akhtar-Pakistan Cricket Board: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার জন্য ছলাকলার আশ্রয় নিয়েছে পাকিস্তান। ইংল্যান্ডকে হারাতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড, স্পিন সহায়ক পিচ বানিয়েছে। এমন ভয়ংকর অভিযোগ এবার আর কেউ নয়, তুললেন খোদ পাকিস্তানের কিংবদন্তি বোলার শোয়েব আখতার। তিনি ক্রিকেটের বিরোধী এমন 'স্বার্থপর দৃষ্টিভঙ্গির' জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে একহাত নিয়েছেন।
শোয়েবের অভিযোগ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ দুই টেস্ট ম্যাচে পিচ নিয়ে কারসাজি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। মূলতানের ফ্ল্যাট পিচে ইনিংস এবং ৪৭ রানে পাকিস্তানকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। তারপরই খেলা পিচ নিয়ে শুরু করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। যার ফলে, সুবিধা পেয়েছে পাকিস্তানের স্পিনাররা। পাকিস্তানের দুই স্পিনার নোমান আলি ও সাজিদ খান ২০ উইকেট নিয়েছেন। আর, দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তান ১৫২ রানের বিরাট জয় পেয়েছে। যার ফলে, সিরিজে সমতা এসেছে। আখতারের অভিযোগ, তাঁর নিজের শহর রাওয়ালপিন্ডিতেও তৃতীয় টেস্ট ম্যাচে স্পিনার সহায়ক পিচ বানিয়েছে পিসিবি। যাতে ইংল্যান্ড বিপাকে পড়ে, আর পাকিস্তানের স্পিনাররা ভেলকি দেখাতে পারেন।
এনিয়ে বলতে গিয়ে শোয়েব বলেছেন, 'ঠিক লোককে ঠিক কাজে না রাখলে যা হয়, এখানেও ঠিক তাই হচ্ছে। এখানে মানসিকতার ফারাক হয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের এই পতন রাতারাতি হয়নি। দুই দশক আগে হয়েছে। আমি প্রায়ই আমার অধিনায়ককে জিজ্ঞাসা করতাম, আপনি মরা পিচ বানাচ্ছেন কেন?' ৪৯ বছর বয়সি এই তারকা বলেন, 'খেলোয়াড়দের অযোগ্যতা আড়াল করতে ব়্যাংক টার্নারের বদলে পিসিবির উচিত প্রতিযোগিতামূলক পিচ তৈরি করা। কিন্তু, আমরা এখানে কী করি? স্রেফ জেতার জন্য স্পিনিং ট্র্যাক তৈরি করি। যাতে আমরা জিততে পারি। আমরা শুধু জিততে চাই। সেই জন্যই এসব করি।'
আরও পড়ুন- চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পুনে টেস্ট, ভয়ংকর অভিযোগে দর্শকদের কাঠগড়ায় উদ্যোক্তারা, তুমুল টানাপোড়েন
শোয়েব পাকিস্তানের হয়ে ৪৪৪টি উইকেট নিয়েছেন। পাকিস্তানের ক্রিকেটের উত্থান এবং পতনকে তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি পাক ক্রিকেট সম্পর্কে নানা কথা জানিয়েছেন। যা আসলে পাকিস্তান ক্রিকেটের আসল পরিস্থিতি ফাঁস করে দিয়েছে বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।