/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/08/8BeduUbI7XpFWhj7CRyb.jpg)
Ian Botham-Merv Hughes: বোথাম আর হিউজ অবসরের পর থেকেই ভালো বন্ধু। (ছবি- টুইটার)
Ian Botham crocodile river: প্রাক্তন কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের ইয়ান বোথামকে তাঁর প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী মার্ভ হিউজ নদীতে কুমির, হাঙরের হাত থেকে বাঁচালেন। এই উদ্ধারের সময় বোথাম বেশ চোট পেয়েছেন। কিন্তু, পরিস্থিতি এমন ছিল যে চোট পেলেও যেন তেন প্রকারে বোথামকে বাঁচাতে গেলে তাঁর শরীরে একটু হলেও আঘাত লাগতই। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া মধ্যে বিখ্যাত ক্রিকেট সিরিজ অ্যাসেজ-এ বোথাম আর হিউজের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বরাবরই ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে দাগ কেটেছে।
সেই বোথামের বয়স বর্তমানে ৬৮ বছর। আর, হিউজের বয়স ৬২ বছর। তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫৩টি টেস্ট খেলেছেন। নয় বছরের কেরিয়ারে ২১২টি উইকেট নিয়েছেন। সেই হিউজ আর বোথাম ১৯৮০-র দশকে অ্যাসেজ সিরিজে মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বারবার প্রচারের আলো কেড়েছেন। হিউজের বলে এক ওভারে বোথাম একবার ২২ রান নিয়েছিলেন। যা সেই সময়ে রেকর্ড তৈরি করে।
এই ব্যাপারে হিউজ 'দ্য ম্যাচ অফ মাই লাইফ: দ্য অ্যাসেজ' বইয়ে লিখেছেন, 'বোথাম প্রথম বলে ২, দ্বিতীয় বলে ২, তৃতীয় বলে ৪, চতুর্থ বলে ৬, পঞ্চম বলে ৪, ছ'নম্বর বলে ৪ রান করেছিল। অ্যাসেজে সেটাই ছিল এক ওভারে করা সর্বোচ্চ রান। আমি ওই ওভারের পর লজ্জায় রীতিমতো মাটিতে মিশে গেছিলাম। তবে, আমার চেয়েও খারাপ পরিণতি অন্যের হয়েছে। দেখলাম, একজন তো অ্যাসেজে এক ওভারে ২৪ রান দিয়েছে। তবে, সেটা যখন দিয়েছিল, তখন ওভার হত ৮ বলের।'
সেই বোথাম আর হিউজ অবসরের পর থেকেই পরস্পরের খুব ভালো বন্ধু। ২২ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার পার্থ-এ বর্ডার-গাভাসকার সিরিজ শুরু হচ্ছে। সেই সিরিজে ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় থাকতে চলেছেন বোথাম আর হিউজ। দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরিতে চার দিন ধরে মাছ ধরছিলেন। সেখানেই বোথাম একটা নৌকোয় উঠতে গিয়ে দড়িতে পা বেধে নদীতে পড়ে যান। তাতে বোথামের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লাগে। এরপরই হিউজ তাঁকে উদ্ধার করেন।
আরও পড়ুন- মাটিতে ড্রপ খেয়ে হাতে বল! ক্যাচ আউটের সিদ্ধান্তে ফুঁসে উঠলেন এবার রুতুরাজ, দেখুন ভিডিও
এই ব্যাপারে বোথাম তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, 'জানি না জলে কী ছিল, সেই দেখার অবস্থা ছিল না। শুধু এটুকু বুঝেছি যে বেশ কয়েক জোড়া চোখ আমাকে দেখছিল। আমি খুব দ্রুত নৌকোয় উঠতে পেরেছিলাম। না হলে কী যে হত, কে জানে! আমি এখন ঠিক আছি।'
READ THE FULL ARTICLE IN ENGLISH