/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/07/Mamata-Banerjee-3.jpg)
21 July TMC Martyrs Day-Mamata Banerjee: একুশের সভামঞ্চ থেকে বাংলাদেশের আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Mamata Banerjee on Bangladesh quota Protests: কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে উত্তাল হওয়া বাংলাদেশ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। কার্ফু চলছে দেশ জুড়ে। দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাসিনা সরকার। অশান্তির জেরে পড়শি দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা এদেশে ফিরে আসছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বানিজ্য বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে ধর্মতলায় শহিদ মঞ্চ থেকে 'বাংলাদেশ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না' বললেও অসহায়দের জায়গা দেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বাংলাদেশের পরিস্থিতির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, "বাংলাদেশ নিয়ে আমি কোনও কথা বলতে পারি না। কারণ ওটা একটা আলাদা দেশ। বাংলাদেশ নিয়ে যা বলার সেটা কেন্দ্রীয় সরকার বলবে। আমি এটুকু বলতে পারি অসহায় মানুষ যদি বাংলায় দরজা খটখটানি করে আমরা তাঁদের আশ্রয় নিশ্চয় দেব। কারণ, এটা ইউনাইটেড নেশনের একটা রেজেলিউশন আছে। কেউ যদি রিফিউজি হয়ে যায় তাঁকে পার্শ্ববর্তী এলাকা সম্মান জানাবে। অসমে একটা গন্ডগোল হয়েছিল বোরোদের সাথে। আলিপুরদুয়ারে তাঁরা দীর্ঘদিন ছিলেন। আমিও গিয়েছিলাম তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে।"
বাংলাদেশের গন্ডগোলের জেরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রাণ গিয়েছে ছাত্রদের। বাংলাদেশের ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতাতেও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "কিন্তু আমার আপনাদের কাছে আবেদন, বাংলাদেশ নিয়ে আমরা যেন কোনও প্ররোচনাতে না যাই। আমরা যেন কোনও উত্তেজনাতে না যাই। আমাদের সহমর্মিতা, আমাদের দুঃখ সে যারই রক্ত ঝড়ুক তাঁদের জন্য আছে। আমরা দুঃখী। আমরাও খবর রাখছি। ছাত্র-ছাত্রীদের মহান প্রাণ, তাজা প্রাণগুলো চলে যাচ্ছে।"
বংলাদেশে যদি এখানকার কারও আত্মীয় পরিজন আটকে থাকেন তাঁদের পাশে রাজ্য সরকার থাকবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "বাংলাদেশে যদি আপনাদের কোনও পরিবার থাকে, পরিজন থাকে, কেউ পড়াশোনা করতে যান। কেউ চিকিৎসা করতে এসে ফিরতে না পারেন। যদি কোনও সহযোগিতার দরকার হয়। সহযোগিতা করা হবে।"