/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/30/bangla-pokhho-2025-06-30-11-56-57.jpg)
Bangla Pokkho WBCS protest Kolkata: কলকাতায় বাংলা-পক্ষের প্রতিবাদ মিছিল।
Bangla Pokkho WBCS protest Kolkata: ফের পথে 'বাংলা পক্ষ'। 'WBCS-এ হিন্দি-উর্দু চলবে না'। একাধিক রাজ্যের তুলনা টেনে এরাজ্যেও WBCS-এ বাংলা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে কলকাতায় মহামিছিল 'বাংলা পক্ষ'-এর। সংগঠনের তরফে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, রাজ্য সরকার WBCS পরীক্ষায় ৩০০ নম্বরের বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছিল। শুধুমাত্র দার্জিলিঙের জন্য নেপালি ভাষার বিকল্প রাখা হয়েছিল।
বাংলার শিক্ষা জগৎ থেকে শুরু করে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলা পক্ষের এই আন্দোলনের পাশে ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলা বাধ্যতামূলকের দাবিতে দেওয়া ডেপুটেশনে তাঁরা স্বাক্ষরও করেছিলেন। রাজ্যের কেবিনেট বৈঠকে এই দাবি স্বীকৃতি পায় ও বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করার গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়।
পরে বাংলার পাবলিক সার্ভিস কমিশন নতুন সিলেবাসে পরীক্ষার বিষয়ে নোটিফিকেশন করে। অথচ কিছুদিন আগেই হঠাৎ এক নোটিশে এই সিলেবাস বদলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়, অর্থাৎ আগের মতোই হিন্দি, উর্দুতেও WBCS দেওয়া যাবে। 'বাংলা পক্ষ' তাঁদের বিবৃতিতে অভিযোগের আকারে জানিয়েছে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত হিন্দি-উর্দু লবির কাছে আত্মসমর্পণ এবং বাঙালির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। কলকাতায় এরই প্রতিবাদে মিছিল করেছে বাংলা পক্ষ।
সেই মিছিলে WBCS-এ হিন্দি-উর্দু বাতিল করে পুনরায় বাংলা বাধ্যতামূলকের সিদ্ধান্ত পুনর্বহালের দাবিতে স্লোগান উঠেছে। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন "বাংলা ভারতের বাইরে নয়, ভারতের সব রাজ্যে যা বাস্তব বাংলায় সেটাই চাই আমরা। বিহার, ইউপিতে হিন্দি বা মহারাষ্ট্রে মারাঠি ভাষার পরীক্ষা না দিয়ে রাজ্য সরকারি চাকরি পাওয়া যায় না। অথচ বাংলায় দেখা যাচ্ছে বাংলা ভাষা না জেনেও WBCS অফিসার হওয়া যায়! এখানে শাসক, বিরোধী সব রাজনৈতিক দলেই হিন্দি-উর্দু লবি ঐক্যবদ্ধ, তাদের চাপের কাছে বাঙালির ভোটে নির্বাচিত সরকার নতি স্বীকার করছে, এটা লজ্জার, এটা বাঙালির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। বাঙালি স্পষ্ট বলছে, সোচ্চারে বলছে- ২০২৬ এ ভোটের আগে বাংলা বাধ্যতামূলক চাই।"