/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/07/MKLVemBAE6Oexa1EsiYT.jpg)
Supreme Court: সুপ্রিম কোর্ট।
নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা হবে, পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর নিতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা। শুক্রবার এ কথাই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে দাগি অযোগ্য প্রার্থীরা কোনওমতেই যাতে পরীক্ষায় বসতে না পারেন সেই বিষয়টি স্কুল সার্ভিস কমিশনকেই নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
বৃহস্পতিবার এসএসসি মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যকে। ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এমনকী রাজ্য কেন অযোগ্যদের পরীক্ষায় বসার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিল সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। তারপরে সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিল একজন দাগি প্রার্থীও যদি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় তাহলে তার ফল ভুগতে হবে রাজ্যকেই।
শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যকে আগামীকালই অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শনিবারই দাগিদের তালিকা প্রকাশ করে দেবে SSC।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কোনওভাবেই অযোগ্যরা যাতে আগামী ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষায় বসতে না পারে সে ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা নিতে হবে রাজ্যকেই।
শুক্রবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অনলাইনে কোনও অযোগ্য প্রার্থী আবেদন করলেই তার নাম বাদ যাচ্ছে। এবারও পরীক্ষার আগে এবং পরীক্ষার পরেও দেখা হবে কোনও অযোগ্য প্রার্থী ভুলবশত পরীক্ষায় বসে গিয়েছিলেন কিনা। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, SSC-এর তরফে ১৯০০-এর কাছাকাছি অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা সম্ভব হলে শনিবারের মধ্যেই প্রকাশ করে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন-West Bengal News Live Updates: আরজি কর কাণ্ডে বিরাট অ্যাকশনে CBI ! দুপুরে কলকাতায় দাপুটে শাসক বিধায়কের বাড়িতে হানা
উল্লেখ্য ৪৫% নম্বর পাওয়ার পর অনেকেই নবম-দশমের পরীক্ষার জন্য আবেদন করলেও একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য আবেদন করতে পারছেন না, এই অভিযোগ নিয়েছিলেন কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। এমনকী অযোগ্য প্রার্থীরাও পরীক্ষায় বসার জন্য অ্যাডমিট কার্ড পেয়ে যাচ্ছেন বলে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করা হয়।