/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/04/1yukOIYUkMzSAqPKylZ0.jpg)
All Bengal Blind Teachers Association: সাংবাদিকদের মুখোমুখি অল বেঙ্গল ব্লাইন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।
Demand for job restoration: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে SSC-এর ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়েছে। সেই বাতিল চাকরিজীবীদের তালিকায় নাম রয়েছে তাঁদেরও। অপরাধ না করেও পাপের ভাগীদার হতে হচ্ছে তাঁদের, এমনই অভিযোগে এবার সোচ্চার অল বেঙ্গল ব্লাইন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এবার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন। সরকারকেই যে কোনও 'উপায়' বের করে আবারও তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহালের বন্দোবস্ত করতে হবে, এমনই দাবি অল বেঙ্গল ব্লাইন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন।
সংগঠনের সভাপতি তাপস রায় জানান, তাঁদের সংগঠনের ৭০ জন শিক্ষক 'যোগ্য' হয়েও চাকরি হারিয়েছেন। তিনি বলেন, "কলকাতা হাইকোর্টে গত বছরের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের পরে সরকার সুপ্রিম কোর্টে আমাদের হয়ে বলার বিশেষ সুযোগ পেয়েছিল। আমরা বারবার স্কুল সার্ভিস কমিশন, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, শিক্ষামন্ত্রী এমনকী মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপালের কাছে আবেদন করেছি।"
তাঁর কথায়, "আমাদের মতো মানুষ যারা অত্যন্ত গৃহ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে এই জায়গায় এসেছেন ও যাঁরা অক্লান্ত লড়াইয়ের পরে এই কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছিলেন নিজেদের যোগ্যতায়, তাঁদের এভাবে পথে বসতে দেবেন না। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কোনও দুর্নীতি না করেই তারা সরকারের অদূরদর্শিতার কারণে আজ চাকরিহারা হয়ে পথে বসতে চলেছে।"
তিনি আরও বলেন, "নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে তাতে আমাদের সমস্ত অনুরোধ, দাবি একেবারেই উপেক্ষা করা হল। যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কার্যত পথে বসিয়ে দেওয়া হল। একজন দৃষ্টিহীনকে পরীক্ষা দিতে গেলে শ্রুতি লেখকের প্রয়োজন হয়, পরীক্ষার জন্য আলাদা সিলেবাস রয়েছে সেই সিলেবাস পড়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন। তার সঙ্গে তাঁর রিডারের প্রয়োজন হয় সেগুলো ঠিক ঠিকমতো পড়ে অন্তঃস্থ করার জন্য। মাত্র তিন মাসের মধ্যে এই কঠিন কাজটি কোনওভাবেই করা সম্ভব নয়। সরকারের কাছে আবেদন সকল যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের সসম্মানের সঙ্গে তাঁদের পদে পুনর্বহাল করা হোক।"
আরও পড়ুন- Kolkata News Live Updates: অনুব্রত গড়ে এবার বিরাট ভাঙন! পাল্লা ভারী করতে কাজলের মাস্টারপ্ল্যান