/indian-express-bangla/media/media_files/2024/10/19/GWhuIeRsQpk9ODzFTLd2.jpg)
সিঙ্গুরে শুভেন্দু অধিকারী। ছবি-উত্তম দত্ত।
Suvendu Adhikari-Singur: টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার রতন টাটার মৃত্যুর পর সিঙ্গুরে শোকসভা করার পরিকল্পনা নেয় BJP। সেই মতো সিঙ্গুরে শুক্রবার মৌনমিছিল করে গেরুয়া দল। সিঙ্গুরের সাহানাপাড়া মোড় থেকে ২ কিলোমিটার হেঁটে মিছিল করে প্রস্তাবিত সেই ঐতিহাসিক কারখানার জমির প্রথম গেট অবধি আসেন শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা। প্রায় শ'পাঁচেক বিজেপি কর্মী এদিন রতন টাটার (Ratan Tata) ছবি নিয়ে হেঁটেছিলেন। মিছিল শেষে সভামঞ্চ থেকে ফের একবার টাটাকে বাংলায় ফেরানোর কথা বিরোধী দলনেতার মুখে।
কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?
"মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন টাটাকে বর্জন করুন। টাটার ঘড়ি পরা যাবে না। তৃণমূল নেতাদের হাত চেক করা হতো যে সে টাইটান ঘড়ি পড়েছে কি না? তৃণমূলের লোচ্চাগুলো টাটার লবণ এই রাস্তায় ফেলে প্রতিবাদ করেছে। যার জন্য টাটা যিনি সাধারণত কন্ট্রোভার্সিয়াল কথা বলেন না তিনি অবধি বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, 'আমার মাথায় ট্রিগার ধরে আমায় বাংলা ছাড়তে বাধ্য করল।' আমি খারাপ m কে ছেড়ে ভালো m এর কাছে যাচ্ছি। আমরা ওনার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। বাঙালি হিসেবে শপথ করতে এসেছি বিজেপি ক্ষমতায় এলে আপনার প্রতিষ্ঠানকে হাতে পায়ে ধরে এই রাজ্যে আনব।"
চকোলেট-স্যান্ডউইচ খাওয়া অনশনে যাইনি: শুভেন্দু
"ধর্মতলায় ২৬ দিন অনশনে আমি ৩০ জনের মধ্যে একমাত্র বিধায়ক যে একদিনও এক মুহূর্তের জন্য চকোলেট-স্যান্ডউইচ খাওয়া অনশনে যাইনি। আমরা ক্ষমতায় এলে টাটাকে হাতে পায়ে ধরে এখানে ফেরাব। টাটা ছাড়া দেশে শিল্প হতে পারে না। আকাশে টাটা, হাতে টাটা, টাওয়ারে টাটা। বস্ত্র থেকে গাড়ি, আবাসন থেকে জল। টাটার ছবি দেখিয়ে এই হচ্ছে আসল আর্কিটেক্টর। এনাকে ভারতের রতন বলা হয়। আব্দুল কালামের পর এই একজন মানুষ যাকে নিয়ে কেউ কোনও দিন পজিটিভ ছাড়া নেগেটিভ কথা বলেননি।"
আরও পড়ুন- Anubrata-Kajal: 'দাদা' ফিরতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ভাই? শনিতেই বিজয়া সম্মিলনী কাজলের!
আরও পড়ুন- Child Birth: সম্ভবত এই প্রথম! বাংলার হাসপাতালে বিরল ঘটনা, জন্ম ৯ জোড়া যমজ শিশুর
আরও পড়ুন- Liquor Sale: পুজোর ৪ দিনে রেকর্ড টাকার মদ বিক্রি! সাড়া ফেলে দিয়েছে বাংলার এই জেলা!
সিপিএমকেও তুলোধনা
শুভেন্দুর কথায়, "সেদিন যদি বর্গাদারদের ক্ষতিপূরণ দিত সিপিএম, মমতা লোক পেত এখানে? ওকে তো পালাতে হত ডানকুনির ওপাশ থেকে ছুটে। ১১ হাজার রায়ত জমির মালিক চেক নিয়েছিলেন। ২ হাজার বর্গদার চেয়েছিলেন মালিক যা পেয়েছিলেন আমাদের তার ১ ভাগের চার ভাগ দিন। দেয়নি। সেই বর্গাদারদের নিয়েই মমতা ব্যানার্জি ঢুকেছে। বর্গাদাররা কঁটাতারের বেড়া কাটতে গিয়েছিল, সিপিএমের পুলিশ মাথা ফাটিয়েছে কৃষকদের। ভুলগুলো করে গেছে। বুদ্ধবাবু একজন সৎ মানুষ। তাঁর প্রচেষ্টা বৃথা হয়েছে।"