TMC Meeting: দিল্লিতে দলের দায়িত্বে অভিষেক, রাজ্যের ইস্যুতে নীরব থাকবেন 'যুবরাজ'? বিরাট সিদ্ধান্ত মমতার

TMC Meeting: তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের 'সেকেন্ড ইন কমান্ড' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মর্যাদা' আরও বাড়ানো হয়েছে। সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

TMC Meeting: তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের 'সেকেন্ড ইন কমান্ড' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মর্যাদা' আরও বাড়ানো হয়েছে। সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

author-image
IE Bangla Web Desk
আপডেট করা হয়েছে
New Update
mamata abhishek

তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক

TMC Meeting: শেষ হলতৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। আর আজকের এই বৈঠক থেকেই বঙ্গ রাজনীতি তথা দলের রাশ নিজের হাতেই রাখার জোরালো বার্তা দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কাঁধে তুলে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।  

Advertisment

তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের 'সেকেন্ড ইন কমান্ড' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মর্যাদা' আরও বাড়ানো হয়েছে। সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে দলের জাতীয়  কর্মসমিতির বৈঠকে তিনটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে 'জাতীয় মুখপাত্র'র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে দলের দলের মতামত তুলে ধরবেন তিনি। তাহলে কী বঙ্গ রাজনীতিতে অভিষেকের 'ক্ষমতা' খর্ব করা হল? প্রশ্ন বিশেষজ্ঞ মহলের।

Advertisment

অন্যদিকে সাংসদ সৌগত রায় ও সুখেন্দু শেখর রায়কে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়, প্রতিমন্ত্রী মানস  ভূঁইয়া, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায় এবং জাভেদ খান জাতীয় কর্মসমিতিতে স্থান পেয়েছেন। সংসদ, বিধানসভা ও দলীয় স্তরে থাকবে ৩ শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি।

অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ডেরেক ও'ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, কীর্তি আজাদ, সুস্মিতা দেব এবং সাগরিকা ঘোষকে জাতীয় মুখপাত্র করা হয়েছে। জাতীয় কর্মসমিতির  বৈঠকে সিনিয়র টিএমসি নেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য  বলেছেন যে দলে আরও ভাল শৃঙ্খলা এবং কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য তিনটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, ডেরেক ও'ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় এবং নাদিমুল হককে সংসদীয় শৃঙ্খলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, দেবাশীষ কুমার, নির্মল ঘোষ এবং ফিরহাদ হাকিমকে রাজ্য বিধানসভার শৃঙ্খলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।  সুব্রত বক্সী, সুজিত বোস, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে রাজ্য স্তরের শৃঙ্খলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দলের পুরনো নেতাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন মমতা

এদিনের বৈঠকে বাংলায় দলের মুখপাত্র হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে একাধিক মুখ। সংবাদ মাধ্যমের সামনে কারা দলের হয়ে বক্তব্য রাখবেন তাও এদিনের বৈঠকে নির্ধারিত হয়। অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে বলবেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য শিল্প সংক্রান্ত  ইস্যুতে বলবেন, শশী পাঁজা এবং পার্থ ভৌমিক, উত্তরবঙ্গ ইস্যুতে গৌতম দেব, উদয়ন গুহ, প্রকাশ চিক বরাইক, ঝাড়গ্রাম সংক্রান্ত বিষয়ে বলবেন বীরবাহা হাঁসদা। চা বাগান ইস্যুতে মতামত দেবেন মলয় ঘটক। 

একইভাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা, মলয় ঘটক, মানস ভূঁইয়া এবং সুমন কাঞ্জিলালকে বিধানসভার মুখপাত্র করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কৌশলগত রদবদলকে অভিজ্ঞ নেতাদের দলের অন্দরে মর্যাদা বাড়ানোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

Abhijit Banerjee mamata