/indian-express-bangla/media/media_files/2025/05/07/Suw1h05htzreyrTP5iGs.jpg)
ইস্পাতকঠিন লড়াইয়ে আকাশছোঁয়া সাফল্য, মাধ্যমিক-জয়েন্টের পর উচ্চমাধ্যমিকেও নজরকাড়া সাফল্য, দেশের মুখ উজ্জ্বল করল বাংলার দেবদত্তা
HS Result 2025: মাধ্যমিক, জয়েন্টের পর এবার উচ্চমাধ্যমিকে বাজিমাত বঙ্গ তনয়া দেবদত্তা মাজির। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে মেধাতালিকায় নিজের নাম তুলে ফের একবার নিজেকে প্রমাণের লড়াইয়ে বিরাট কৃতিত্ব অর্জন করল কাটোয়ার দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্রী দেবদত্তা। এবারের উচ্চ মাধ্যমিকে তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২। গতমাসেই জয়েন্ট এন্ট্রান্সের(JEE মেন) প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনেও ১০০-য় ১০০ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে। এবারের উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হতেই বিরাট চমক গড়েছেন এই মেধাবী ছাত্রী। ভবিষ্যতে বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি থেকে পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। আপাতত সেই লক্ষ্য পূরণেই ব্যস্ত দেবদত্তা।
'পাকিস্তানকে ওদের ভাষাতেই জবাবের দরকার ছিল', উচ্চমাধ্যমিকে পঞ্চম তন্ময়ের মনের ইচ্ছা জানেন?
দেবদত্তার বাবা জয়ন্ত কুমার মাঝি আসানসোল বি .ডি কলেজের ফিজিক্সের প্রফেসার। মা শেলীদেবী কাটোয়ার দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদ্যালয়ের ফিজিক্সের শিক্ষিকা। শিক্ষক দম্পতির একমাত্র সন্তান দেবত্তার মেধার পরিচয় মেলে ছোট বয়সেই। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে তাক লাগানো ফল করে দেবদত্তা মাজি। ৭০০ নম্বরে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৯৭ নম্বর পেয়ে দেবদত্তা রাজ্যের সেরা নির্বাচিত হয়। মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েই দেবদত্তা জয়েন্ট এন্ট্রান্সের প্রস্তূতি নেওয়া শুরু করে দেয় । পরপর জয়েন্ট ও উচ্চ মাধ্যমিকে নজরকাড়া ফলে নিজের মেধার পরিচয় দিয়ে ফের একবার বঙ্গবাসীকে বিরাট চমক দিয়েছে এই মেধাবী বঙ্গ তনয়া।
জন্মের মতোই নম্বরের ফারাকও কত জানেন? উচ্চমাধ্যমিকে বিস্ময় নজির যমজ ভাইদের!
দেবদত্তার সাফল্যে খুশি তাঁর মা-বাবা। তাঁরা জানান 'মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল ভাব উত্তির্ণ হওয়ার পর থেকে দেবদত্তা উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পড়াশোনাও শুরু করেছিলেন। দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করতো । জয়েন্টের প্রস্তুতির জন্য দেবদত্তা বেসরকারি কোচিং সেন্টারে প্রশিক্ষণও নিয়েছে'। মা শেলীদেবী বলেন,“দেবদত্তা বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি থেকে উচ্চশিক্ষা করতে চায়। সেই লক্ষ্যে পৌছানো এখনো বাকি রয়েছে । তাই উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে আমরা মেয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসতে চাইছে না।"