/indian-express-bangla/media/media_files/2025/07/28/mohanlal-amma-president-decision-baburaj-2025-07-28-21-11-26.jpg)
যে কারণে পিছিয়ে এলেন?
মালায়ালম সিনেমার শিল্পী সংগঠন এএমএএমএ (AMMA)-তে শান্তি ও স্থিতির সংকট অব্যাহত। আগামী ১৫ আগস্ট সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন হতে চলেছে, তাতেও বিতর্কের রেশ কমছে না। সভাপতি পদে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুপারস্টার মোহনলাল, যার ফলে শীর্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নাম লিখিয়েছেন ছয়জন জনপ্রিয় অভিনেতা।
এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে একাধিক যৌন হেনস্থার অভিযোগ এবং সংগঠনের উচ্চপদস্থদের গণ পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে। বিচারপতি হেমা কমিটির তদন্ত রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসার পর, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক এবং যুগ্ম সম্পাদক বাবুরাজের মতো নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই মোহনলাল সহ গোটা কার্যনির্বাহী কমিটি, পদত্যাগ করেন।
Sanghasri Sinha: 'আমাকে হট মনে হয়েছে বলেই তো ও বিয়ে করেছে', সাহসী ফটোশুট প্রসঙ্গে সোজাসাপটা সঙ্ঘশ্রী
প্রথমে শোনা গিয়েছিল, মোহনলাল আবার সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি সরে দাঁড়ান। অভিনেত্রী ও আইসি সদস্য মালা পার্বতী জানিয়েছেন, বাবুরাজের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সত্ত্বেও তাঁর অনড় অবস্থানের প্রতিবাদেই মোহনলাল এই সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “বিজয় বাবু ও দিলীপের মতো অভিযুক্তদের পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। সেই দৃষ্টান্ত মেনেই আমরা আশা করেছিলাম বাবুরাজও সরে দাঁড়াবেন। কিন্তু তিনি না করায় মোহনলাল বাধ্য হয়ে সরে যান।”
অন্যদিকে, অভিনেতা আনসিবা ও সরযূ মত দিয়েছেন যে, বাবুরাজের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনও অসঙ্গতি নেই। তাঁরা বলেন, মূলধারার রাজনীতিতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এছাড়া, অভিনেত্রী মালা পার্বতী সভাপতি পদপ্রার্থী জগদীশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “জগদীশ একদিকে যখন এএমএএ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বলে জনসমর্থন পান, তখন অন্যদিকে সদস্যদের নিরুৎসাহিত করেন। পরে আবার জনসমক্ষে বলেন, ‘তাদের কি কোনও কণ্ঠস্বর নেই?’ এই দ্বৈত আচরণেই সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং অনেকে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছেন।”
Rukmini - Dev: শুভশ্রীর নাম ঘুণাক্ষরেও নিলেন না, ৯ বছর ধরে কী ভাবছিল…
সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জগদীশ, শ্বেতা মেনন, দেবান, রবীন্দ্রন, অনুপ চন্দ্রন ও জয়ান চেরথালা। অভিনেতা-পরিচালক জয় ম্যাথিউ মনোনয়ন জমা দিলেও স্বাক্ষরের অভাবে তা বাতিল হয়েছে। তবে তিনিও কার্যনির্বাহী কমিটিতে মনোনয়ন দিয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে লড়াই হচ্ছে বাবুরাজ, রবীন্দ্রন, অনুপ চন্দ্রন ও জয়ান চেরথালার মধ্যে। কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিনু মোহন, টিনি টম, অনুপ চন্দ্রন, কুক্কু পরমেশ্বরন, সাই কৃষ্ণসহ অনেকে। সহ-সভাপতির পদে লড়ছেন জয়ান চেরথালা, লক্ষ্মী প্রিয়া, নাসের লতিফ, উন্নি শিবপাল ও রবীন্দ্রন।