scorecardresearch

বড় খবর

পেঁয়াজের চিন্তায় উদ্বিগ্ন মমতা, দুষলেন কেন্দ্রকেই

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, পেঁয়াজের দাম কমার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন্দ্র। তিনি বলেন, “সবচেয়ে খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে চলছে দেশ।”

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে দুষলেন মমতা

পেঁয়াজের দ্রুতগতিতে উর্দ্ধমুখী দামে নাভিশ্বাস উঠছে জনসাধারণের। দিন যত যাচ্ছে, ততই মহার্ঘ হচ্ছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের অগ্নিমূল্যে চিন্তায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীও। এই প্রেক্ষিতেই এদিন ইনফোকম ২০১৯-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১৪০ টাকা? কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই?”

উল্লেখ্য, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বৃহস্পতিবার লোকসভাতেও সরব হন বিরোধীরা। তবে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার, এমন আশ্বাসও দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, পেঁয়াজের দাম কমার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না কেন্দ্র। তিনি বলেন, “দেশে বেকারত্ব-দারিদ্র্য আকাশ ছুঁতে চলেছে। আর্থিক বৃদ্ধি তলানিতে। সবচেয়ে খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে চলছে দেশ। শিল্পেও অনিশ্চয়তার আবহ। বাড়িতে টাকা থাকলে নোটবন্দি আর ব্যাঙ্কে থাকলে লুটবন্দি। একটা তো ব্যবস্থা নেওয়া উচিত!”

আরও পড়ুন: বিয়ের উপহারে ৩০ কেজি পেঁয়াজ পেলেন বর্ধমানের নবদম্পতি!

তবে মমতার রোষানলে শুধু পেঁয়াজের দাম নয়, পড়েন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও। বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের বিধানসভাকাণ্ড থেকে রাজ্যের প্রস্তাবিত বিভিন্ন বিলে রাজ্যপালের সই না করার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, “মহারাষ্ট্রের থেকেও খারাপ অবস্থা বাংলার। আমাদের এখানেও সমান্তরাল সরকার চলছে।” বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যপাল কোনও বিলে সই করছেন না। তবে আমরা আমাদের লড়াই চালিয়ে যাব। দেশে বিভাজনের রাজনীতি চলছে। দেশকে ভাঙতে দেব না, ধর্ম, শিল্পকে ভাঙতে দেব না।”

আরও পড়ুন: ‘পেঁয়াজ নিয়ে আমার পরিবারের তেমন মাথাব্যথা নেই’, জানালেন অর্থমন্ত্রী

দেশের ‘আর্থিক বৃদ্ধি তলানিতে’ ঠেকলেও শিল্পের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে বাংলা, বৃহস্পতিবার এমনটাই দাবি মমতার। তিনি বলেন, “এত কিছুর পরেও বাংলায় শিল্পের আবহ রয়েছে। এখানে ছেলেমেয়েরা আইটিতে চাকরি করছে পাল্লা দিয়ে। দক্ষতার ক্ষেত্রেও এক নম্বরে আমরা। আইটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য ২ হাজার একর জায়গা দেওয়া হয়েছে রাজারহাটে। সেখানে আইটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব খোলা হচ্ছে। আরও সেট আপ করা হচ্ছে। যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে বাগডোগরা বিমানবন্দর দেশে এক নম্বর। বাংলায় ব্যবসা ভালো চলছে। আইটিসির মতো বিশাল বিশাল হোটেল হয়েছে। আমি শিল্পপতিদের বলব, শিল্পের জন্য আমার রাজ্যে জমি রয়েছে। যাঁরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, তাঁরা যেন এগিয়ে আসেন।”

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Politics news download Indian Express Bengali App.

Web Title: 167900