/indian-express-bangla/media/media_files/2025/07/12/east-bengal-fc-3-2025-07-12-22-33-49.jpg)
কাস্টমসের বিরুদ্ধে ড্র করল লাল-হলুদ ব্রিগেড
East Bengal FC: কাস্টমসের মতো একটা দল যে শতাব্দী প্রাচীন ইস্টবেঙ্গলকে বেগ দেবে, সেটা কেউ কল্পনা করতে পারেনি। সত্যি কথা বলতে কী, কলকাতা ফুটবল লিগে (CFL 2025-26) শনিবার লাল-হলুদ ব্রিগেড যে হেরে যায়নি, এটাই অনেক বড় ব্যাপার। একাধিক গোলের সুযোগ মিস করার পর ইস্টবেঙ্গলের পারফরম্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আতস কাঁচের নীচে এসেছে বিনো জর্জের পারফরম্য়ান্সও।
শনিবারের (১২ জুলাই) ম্য়াচে কাস্টমসের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। ম্যাচের শুরুটা বেশ ভালই করেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, ততই মশাল নিষ্প্রভ হয়ে পড়েছে। মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তারা জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়ে। এই ম্যাচে বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের দল যদি ২-০ গোলেও জিতে মাঠ ছাড়ত, তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। ১৮ মিনিটে চাকু মান্ডির ভুলে পেনাল্টি 'উপহার' পায় কাস্টমস। এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি শিলক তিওয়ারি।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয় ধাক্কা খেল লাল-হলুদ ব্রিগেড। এবার গোল করলেন সৌরভ সেন। মাঝমাঠে বল দখলের নিয়ন্ত্রণে একেবারে হারিয়ে ফেলেছিল ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগ বল যায় রিকি ঘরামির পায়ে। ডান প্রান্ত থেকে রিকি ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্স নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করলেন। লাল-হলুদের রক্ষণভাগকে কিছুক্ষণ পায়ে খেলানোর পর রিকি বলটা সৌরভের দিকে বাড়িয়ে দেন। সৌরভ সেইসময় একেবারে অরক্ষিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি গোল করতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি।
প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল বেশ কয়েকটি গোল করার সুযোগ পেলেও, পারফরম্য়ান্স ব্যর্থতায় সেই চান্স তারা হাতছাড়া করে। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয় দ্বিতীয়ার্ধের খেলা। এক ঘণ্টা পর শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোলের দরজা খুলতে পারেন নামা অনন্ত। তবে এক্ষেত্রে জেসন টিকের অনবদ্য সেন্টারের কথা আলাদা করে উল্লেখ করতেই হবে। সেই বলে নিখুঁত হেড দিয়ে কাস্টমসের জালে বল জড়িয়ে দেন। সেইসঙ্গে এক গোলের ব্যবধান কমায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৭১ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সমতা ফেরান প্রভাত লাকরা। এরপর ইস্টবেঙ্গল আরও কয়েকটা গোল করার সুযোগ পেয়েছিল বটে, কিন্তু একটাও বল তারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। এই ড্রয়ের পর ইস্টবেঙ্গল আপাতত ৫ পয়েন্ট নিজেদের পকেটে পুরতে পেরেছে। অন্য়দিকে, কাস্টমস দাঁড়িয়ে রয়েছে ৮ পয়েন্টে। এই কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর বিনো জর্জের রণনীতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।