scorecardresearch

বড় খবর

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অদিশা, কৃতীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানলে কুর্নিশ না জানিয়ে পারবেন না

প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল। শহরকে টেক্কা দিয়ে এবারও জেলার জয়জয়কার।

Adisha Dev Sharma gets the first position in the higher secondary examination, wants to work for the street children in the future
উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম দিনহাটার অদিশা দেবশর্মা। ছবি: সন্দীপ সরকার।

প্রকাশিত হয়েছে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল। মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও জয়জয়কার কোচবিহারের। ৪৯৮ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন কোচবিহারের দিনহাটার অদিশা দেবশর্মা। ভবিষ্যতে পথ শিশুদের জন্য কাজ করতে চান এই বঙ্গ তনয়া।

এবারের উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে সম্ভাব্য প্রথম দিনহাটার অদিশা। দিনহাটার সোনিদেবী জৈন স্কুলের ছাত্রী অদিশা দেবশর্মা। অদিশার বাবা তপন দেবশর্মা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক, মা স্বাস্থ্যবিভাগে কর্মরতা। মাধ্যমিকেও তাক লাগানো ফল করেছিলেন এই তরুণী। ৬৭৮ নম্বর পেয়ে রাজ্যের মেধাতালিকায় নাম তুলেছিলেন অদিশা।

স্বভাবতই উচ্চমাধ্যমিকেও যে অদিশা ভাল ফল করবেন সেব্যাপারে প্রবল আশাবাদী ছিলেন অদিশা নিজে ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। উচ্চমাধ্যমিকে সেরার সেরা হয়ে নজর কেড়েছেন এই বঙ্গতনয়া। অদিশার গৃহ শিক্ষক ছিলেন ৯ জন। এরই পাশাপাশি স্কুল শিক্ষকরাও তাঁকে পড়াশোনার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে সহায়তা করতেন।

আরও পড়ুন- WBCHSE West Bengal HS 12 Result 2022 Live Updates: উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হার ৮৮.৪৪%, মেধাতালিকার প্রথম দশে ২৭২

নজরকাড়া এই সাফল্য পেয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত অদিশা। বাড়িতে নিয়ম করে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা পড়াশোনা করতেন তিনি। এদিন সকালে উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বাড়িতে ভিড় জমায় প্রতিবেশীরা।

আরও পড়ুন- একঝাঁক কৃতি! পশ্চিম মেদিনীপুরের জলচক নাটেশ্বরী বিদ্যায়তনে উৎসবের আমেজ

খুশির জোয়ার দেবশর্মা পরিবারেও। ভবিষ্যতে লেখা পড়া নিয়ে এগনোর ইচ্ছার পাশাপাশি সামাজিক কাজেও প্রবলভাবে জড়িয়ে থাকার ইচ্ছা রয়েছে এই কৃতী ছাত্রীর। আগামী দিনে পথ শিশুদের জন্য কাজ করতে চান অদিশা। তাঁর এই ইচ্ছাকে যথাযোগ্য সম্মান দিয়ে তাঁর পাশে থাকার অঙ্গীকার পরিবারেরও।

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Westbengal news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Adisha dev sharma gets the first position in the higher secondary examination wants to work for the street children in the future