/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/30/prime-minister-modi-china-visit-2025-08-30-12-32-40.jpg)
দুদিনের জাপান সফর শেষ করে আগামী ৩১শে আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যাচ্ছেন চিন সফরে
India-China Relation: মার্কিন শুল্কবোমার আঘাত কাটিয়ে অর্থনীতি চাঙ্গা করতে কূটনীতির 'সুইচ' চালু করেছে ভারত।
দু'দিনের জাপান সফর শেষ করে আগামী ৩১শে আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যাচ্ছেন চিন সফরে। তিয়ানজিন শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলা এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে তিনি যোগ দেবেন। মোদীর এই সফরকে ঘিরে গোটা বিশ্বের নজর এখন তিয়ানজিনে। বিশেষ করে আমেরিকা মোদীর এই সফরের দিকে বিশেষ নজর রাখছে।
আরও পড়ুন- প্রবল চাপে আমেরিকা! ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের মাঝেই মোদীর পাশে পুতিন, বিরাট ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে আলোড়ণ
কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের মতো ব্হৎ বাজার হাতছাড়া হয়ে গেলে তা আমেরিকার জন্য বড় ক্ষতি হবে। ইতিমধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভারতীয় আমদানির উপর শুল্ক চাপিয়ে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী চান এই সম্মেলন থেকে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিতে।
জাপান সফরে একটি সাক্ষাৎকারে মোদী বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যে স্থিতিশীল, ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে যা আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দুই বৃহৎ প্রতিবেশী দেশ যদি একসঙ্গে এগোয়, তাহলে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে গোটা এশিয়া ও বিশ্বে।” কূটনৈতিক মহলের মতে, এর মধ্যেই ইঙ্গিত মিলছে যে চিনের সঙ্গে ভারতের কোনও বড় চুক্তি হতে চলেছে, যা আমেরিকার একচেটিয়া আধিপত্যে ধাক্কা দিতে পারে।
বর্তমানে ভারত ও চিনের বাণিজ্য ঘাটতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২৪ সালে ভারত চীন থেকে ১১৩.৪৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, অথচ চিন ভারত থেকে মাত্র ১৪.২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনেছে। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৯.২ বিলিয়ন ডলার। ধারণা করা হচ্ছে, এই সফরে মোদীর মূল লক্ষ্য হবে চিনকে ভারতীয় পণ্য কেনার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।
আরও পড়ুন-বিতর্কিত মন্তব্যে রাজ্য-রাজনীতিতে তোলপাড় ফেললেন মহুয়া, সাংসদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের
শনিবার সন্ধ্যায় তিয়ানজিনে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। রবিবার সকালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর প্রায় ৪০ মিনিটের বৈঠক হওয়ার কথা। সোমবার শুরু হবে এসসিওর মূল সম্মেলন। ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এই প্রথম চিন সফরে যাচ্ছেন মোদী। রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সময় সর্বশেষ শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একসঙ্গে মঞ্চ ভাগ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার সেই মঞ্চে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।