/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/18/NVzIxuuIT4LMBDvqyEil.jpg)
Digha: দিঘার সমুদ্র পাড়।
Garbage collection to the tune of song in Digha: সুমধুর গানের সুরে এবার পরিচ্ছন্নতার বার্তা। গানে-গানে অলিগলি পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গীকার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের। হুইসেল নয়, বরং মনোগ্রাহী গানের সুরে আবর্জনা সংগ্রহ ও পরিচ্ছন্নতার বার্তা নিয়ে এবার সৈকত শহরের অলি-গলিতে পৌঁছে যাচ্ছে পর্ষদ ভ্যান। 'আয় খুকু আয়' গানের সুরে বাঁধা হয়েছে নতুন সচেতনতামূলক গান। গানের প্রতিটি লাইনে লাইনে রয়েছে পরিচ্ছন্নতার বার্তা। সকাল হলেই সৈকত শহরের হোটেলে হোটেলে পৌঁছে যাবে আবর্জনা সংগ্রহের ভ্যান। সেখানেই বাজানো হবে সচেতনতামূলক এই গান। যা থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষ ও পর্যটক উভয়েই সচেতন হবে বলে মনে করছে ডিএসডিএ।
ইতিমধ্যে গানে গানে এই আবর্জনা সংগ্রহের বিষয়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় নবজাগরণ ঘটেছে গোটা সৈকত শহর দিঘায়। পর্যটকদেরও জোয়ার প্রায় প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে। সৈকত শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিনিয়ত দেখা যায় হোটেল গুলির একাংশ যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখে। ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সৈকতে। তাই হোটেল কর্তৃপক্ষ এবং সাধারন মানুষ উভয়কে যাতে সচেতন এবং অঙ্গীকারবদ্ধ করা যায় সেই নিয়ে গান বাঁধা হয়েছে। DSDA-এর তরফ থেকে কলকাতার একটি সংস্থাকে দিয়ে ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে 'আয় খুকু আয়' গানের সুরে সচেতনতামূলক গান।
যেখানে বলা হচ্ছে স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য নোংরা আবর্জনা যেন পর্ষদের গাড়িতেই ফেলা হয়। পাশাপাশি দূষণের কাছে হার না মানার বার্তা দেওয়া হয়েছে গানের মধ্যে। দিঘাকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রেখে সবুজ দিঘা গড়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে এই গানের মাধ্যমে। শুক্রবার থেকে শুরু করা হয়েছে গানে গানে এই আবর্জনা সংগ্রহের কাজ। ইতিমধ্যে পর্ষদের ১০টি গাড়িতে বাজানো হচ্ছে এই গান। এছাড়াও সৈকত চত্বরে একাধিক ডিজিটাল বোর্ড লাগানো হয়েছে যেখানে ভিডিওর মাধ্যমে পরিবেশ দূষণের বিষয় নিয়ে সচেতন করা হচ্ছে সাধারণ মানুষ জনকে। এছাড়াও নোংরা আবর্জনা যত্রতত্র ফেললে এবং প্লাস্টিক বিক্রি করলে জরিমানার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
আগামী মাস থেকেই উন্নয়ন পর্ষদের তরফ থেকে প্রতিটি হোটেলে লাল এবং সবুজ দুটি করে ডাস্টবিন দেওয়া হবে। সেখানে বায়োডিগ্রেবল এবং নন- বায়োডিগ্রেবল আবর্জনা পৃথক করে ফেলতে হবে উন্নয়ন পর্ষদের আবর্জনার গাড়িতে। দিঘা- শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, “গানের সুরে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএসডিএর যেসব আবর্জনার গাড়িগুলি রয়েছে সেগুলিতে এই গান বাজানো হবে। ফলে একটি হোটেলে গাড়ি গেলে তার পরের হোটেল আবর্জনা নিয়ে প্রস্তুত থাকতে সুবিধে হবে। এছাড়াও গানের মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে হোটেল কর্তৃপক্ষ ও পর্যটক উভয়কেই।”