/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/01/RDwSTzZ6V9rLfITV3j4I.jpg)
'তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়', ব্রাত্যের উপর হামলায় গর্জে উঠলেন কুণাল
Jadavpur University Chaos: উত্তপ্ত যাবদপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ত্ণমূলের অধ্যাপক সংগঠনের বৈঠক ঘিরে ধুন্ধুমার। শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্লোগান, বিক্ষোভ। ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ এসএফআইয়ের। ক্যাম্পাসেই WBCUPA-SFI-এর হাতাহাতি। দুপক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া ও অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেই খবর। এদিকে বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাঁচ। ঘটনার পর যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড-এ অবস্থান বিক্ষোভে বসে SFI
গোয়ালপোখরের পর এবার চোপড়া! অস্ত্র আইনে অভিযুক্তকে পুলিশের হাত থেকে ছিনতাই
হুলস্থুল কাণ্ড যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আটকে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য় বসু। বাম ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তুমুল ধস্তাধস্তি। ক্যাম্পাসের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলতা। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির কাঁচ। মূলত, ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা। জানা গিয়েছে গোটা ঘটনায় আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও। বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আহত হন বেশ কয়েকজন ছাত্র।
বিক্ষোভে আটকে থাকা অবস্থায় ব্রাত্য বসু বলেন, “এটাই হচ্ছে এই সব (বাম-অতিবাম) ছাত্র সংগঠনের গণতন্ত্র। এরাই রাস্তায় নেমে অসভ্যতা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধৈর্যে বিশ্বাস করেন। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। আমরা সহিষ্ণুতার পাঠ জানি। আমি ওদের বললাম আপনারা দুজন আসুন। ওরা বলল ৪০ জন যাব। আর এতজন মিলে কথা হয়। এরপরই ওরা বাধা দেয়। আমাদের প্ররোচনা দেওয়া হয় যাতে পুলিশ ডাকি। কিন্তু সেটা করব না"।
বড়সড় সাফল্য কলকাতা পুলিশের, দিল্লিতে গ্রেফতার 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' চক্রের অন্যতম পাণ্ডা
এদিকে গোটা ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় SSKM হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ আজকের হামলাকে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’ এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক পোস্টে লিখেছেন, 'তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়। গায়ে হাত দেবে কেন? শাসক বলে সংযত নিশ্চয় থাকা উচিত। কিন্তু বাঁদরামি সীমা পার করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া উচিত'।
অধ্যাপক ডঃ প্রদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাদবপুরে যারা এই অসভ্যতা করল, তাদের এবং ওই সংগঠনগুলিকে চিহ্নিত করে রাখা দরকার।...
Posted by Kunal Ghosh on Saturday, March 1, 2025