/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/30/cats-2025-08-30-17-47-17.jpg)
'ছদ্মনামে'ও রেহাই মিলল না বাংলাদেশির
Bangladeshi Arrested: ছদ্মনাম পুনীত কুমার। বয়স ২২ বছর। আদপে তিনি বাংলাদেশি নাগরিক হলেও ভারতে এই ছদ্মনামে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিল বলে অভিযোগ। অবশেষে বাংলাদেশে পালাবার সময় মাঝপথেই মালদার মহদিপুর সীমান্ত এলাকা থেকেই ওই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করলো ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। শুক্রবার রাতে ইংরেজবাজার থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মহদিপুর স্ট্যান্ড থেকেই ওই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি প্যান কার্ড এবং ভারতের ব্যবহৃত মোবাইল সিম কার্ড। শনিবার ধৃতকে মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ । এদিন মালদা আদালতের মাধ্যমে ওই বাংলাদেশি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে তদন্তকারী পুলিশকর্তারা।
আজ সন্ধ্যার মধ্যেই অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ, তালিকায় কত জনের নাম?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতে নাম হৃদয় মিয়াঁ (২২)। তার বাড়ি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানা এলাকায়। শুক্রবার গভীর রাতে মালদার সীমান্তবর্তী এলাকা মহদিপুর স্ট্যান্ডের নির্জন জায়গায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিল ওই যুবক। সেই সময় পুলিশের টহলদারি ভ্যান ওই যুবককে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পুলিশি জেরায় অবশেষে ওই যুবক নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক বলেই পরিচয় দেয়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, গত কয়েক বছর আগে মালদার কোনো একটি কাঁটাতার বিহীন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করেছিল বাংলাদেশী নাগরিক হৃদয় মিয়া। এরপর সে এখানকার কোন এক দালালের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে একটি প্লাস্টিকের ফ্যাক্টরিতে কাজে যোগ দেয়। সেখানেই দালালদের সহযোগিতায় পুনিত কুমার নামে অবৈধভাবে প্যান কার্ড তৈরি করে ওই যুবক।
দুর্ঘটনায় পরপর মর্মান্তিক মৃত্যু! স্বজনহারার কান্না, বুক ফাটা আর্তনাদ, চাঞ্চল্য...
মালদা আদালতে যাওয়ার পথে ওই যুবক বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। পাশাপাশি দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে প্যান কার্ড তৈরির কথাও সে জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান শুরু হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে। এই পরিস্থিতিতে ওই যুবক ওপারে পালাবার পরিকল্পনা নিয়েছিল। যেহেতু মালদার মহদিপুর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের সোনারগাঁও এলাকাটি খুব কাছে। তাই এদিন ওই যুবক মালদার এই সীমান্ত দিয়েই পালাবার চেষ্টা করেছিল। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ওই বাংলাদেশি যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালদা আদালতের মাধ্যমে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।