/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/07/migrant-2025-08-07-15-23-36.jpg)
Migrant labourer abuse: বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের কাছে গিয়েছিলেন নিগৃহীত বাবা ও ছেলে।
Bengali family attacked:হরিয়ানার গুরগাঁওতে কাজে গিয়ে পুলিশি অত্যাচারের শিকার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের দুই ব্যক্তি। সম্পর্কে তাঁরা বাবা ও ছেলে। পুলিশের বেধড়ক মারে গায়ে রীতিমতো কালশিটে দাগ পড়ে গিয়েছে দু'জনের। কার্যত প্রাণভয়ে হরিয়ানা থেকে পালিয়ে গোপালনগরে ফিরেছে গোটা পরিবার। তবে তাঁদের চোখে মুখে এখনও রয়ে গিয়েছে আতঙ্কের ছাপ।
জানা গিয়েছে, হরিয়ানার গুরগাঁওতে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন বনগাঁ গোপালনগর থানা এলাকার দিঘারী গ্রাম পঞ্চায়েতের কনকপুরের বাসিন্দা সাধন দাস ও তাঁর ছেলে সৌভিক দাস। গোপালনগরের কনকপুরের বাসিন্দা তাঁরা। বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশী তকমা দিয়ে সাধন দাসকে পুলিশ বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। তাঁর শরীরের একাধিক জায়গায় কালশিটে দাগ পড়ে গিয়েছে।
পরে পরিবার নিয়ে কোনও মতে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের বাড়িতে ফিরে আসেন তাঁরা। জুলাই মাসের ২৭ তারিখ গুরগাঁওয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন সাধন দাস। সেই সময় রাস্তায় হরিয়ানা পুলিশ তাঁদের পথ আটকায়। বাংলায় কথা বলতেই মারধর করে সেখানকার পুলিশ। সাধন দাস বলেন, "বাংলায় কথা বলতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিপেটা করে। স্টিলের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারে। দ্রুত এলাকা ছাড়তে বলে। কোনও প্রকারে ছেলে-বৌমাকে নিয়ে পালিয়ে এসেছি।"
আরও পড়ুন- Nabanna Abhijan:আরজি কর কাণ্ড: 'ন্যায়' চেয়ে ফের নবান্ন অভিযান, স্তব্ধ হবে কলকাতা-হাওড়া?
সৌভিক দাস বলেন, "আমাকে তিনদিন ধরতে এসেছিল। স্ত্রীকে ঘরে তালাবন্দি রেখে চলে যায়। তিন দিন পালিয়ে বেরিয়েছি। মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলে পুলিশ। দু'দিন পর সেখানে সবকিছু ফেলে রেখে পালিয়ে আসি। আর হরিয়ানাতে আমরা কাজে যেতে চাই না।"
বৃহস্পতিবার বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের কাছে গিয়েছিলেন নিগৃহীত বাবা ও ছেলে। বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে বিশ্বজিৎ দাস বলেন, "ভিন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্থা করছে সেখানকার পুলিশ। যে বাঙালি দেশের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিল, তাঁদেরকেই হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। আগামী দিনেও এর প্রতিবাদ হবে।"
আরও পড়ুন-One year of RG Kar incident:আরজি কর কাণ্ডের এক বছর: 'ন্যায়বিচার'-এর পথ চেয়ে পরিবার