/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/06/protest-2025-08-06-11-21-35.jpg)
Rajpur‑Sonarpur Municipality: বছরভর জলবন্দি থাকার পর অবশেষে ভাঙল ধৈর্যের বাঁধ।
residents protest: চার বছর ধরে হাঁটু সমান জলে ডুবে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম নিশ্চিন্তপুর। প্রায় দুই হাজার মানুষ বৃষ্টির জল, রোগ, দুর্গন্ধ আর সাপের আতঙ্ক নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বেঁচে আছেন এক অবর্ণনীয় নরক-যন্ত্রণায়। অবশেষে ধৈর্যের সীমা ছাড়াল।
রাজপুর-সোনারপুর পুরসভা ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় বিশ্বজিৎ দে'র ভূমিকায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ তাঁরা। পুরসভার গেটে দাঁড়িয়েই স্লোগান উঠল, "উন্নয়নের টাকা কোথায় গেল? বিশ্বজিৎ তুমি জবাব দাও।" নিশ্চিন্তপুরের কয়েকশো মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে ভিড় করেন পুরসভার গেটে। স্লোগানে ফেটে পড়ে জনতা, "চার বছরে একটাও কাজ হয়নি!, এই ওয়ার্ড কি বেঁচে নেই? আমরা মানুষ নাকি আবর্জনা?"
বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে নিশ্চিন্তপুর। না আছে ড্রেন, না আছে জল বের করার পাম্পিং ব্যবস্থা। বছরভর জমে থাকা জলে ছড়াচ্ছে রোগ, বাড়ছে সাপের উপদ্রব। এককথায় গোটা এলাকা যেন ছোটোখাটো ডোবার চেহারা নিয়েছে।
আরও পড়ুন- West Bengal News live updates:সাতসকালে কলকাতায় মৃতদেহ উদ্ধার, খুন না নেপথ্যে অন্য কারণ? তদন্তে পুলিশ
বাড়ি থেকে বেরনোই এখানে যম-যন্ত্রণার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুরা অসুস্থ, বৃদ্ধরা ঘরবন্দি হয়েই দিন কাটাচ্ছেন দিনের পর দিন ধরে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার নিকাশির বেহাল দশা গত কয়েকবছর ধরে। কাউন্সিলর সব জানেন, দেখছেন, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা করছেন না।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রসঙ্গে ওই এলাকার কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ দে বলেন, “এলাকায় ড্রেনেজ নেই, তাই জল দাঁড়ায়। আমরা বারবার বোর্ডে জানিয়েছি। চেয়ারম্যান, এমএলএকে বলেছি, কাজের আশ্বাসও পেয়েছি। ড্রেনেজে ২-৩ কোটি টাকা দরকার, ক্ষমতা সীমিত, তাই দেরি হচ্ছে।” কিন্তু ক্ষুব্ধ জনতার স্পষ্ট বক্তব্য, দ্রুত এই নরক-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি নাম মিললে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।