/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/29/EMwua4ICC5GMEm1LUcKC.jpg)
মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
Trinamool MLA Akhil Giri alleges that he was beaten up by the police: এবার রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে শাসকদলের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে। প্রতিবাদে নেতার অনুগামীরা জাতীয় সড়কে উঠে বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশের বিরুদ্ধে শুরু হয় স্লোগানিং।
কাঁথি সমবায় ভোট ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি, রামনগর এলাকায়। কাঁথি কৃষি ও সমবায় ব্যাংকের নির্বাচনের বুথ হয়েছে রামনগর কলেজের সামনেও। সেই বুথেই 'ভূতুড়ে ভোটার' ঢোকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এমন অভিযোগ শোনার পরেই ঘটনাস্থলে যান রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির মদতে 'ভূতুড়ে ভোটার' ঢুকিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা চলছিল। তিনি তাতে বাধা দিতে গেলে পুলিশ তাকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ তোলেন অখিল গিরি।
এক্ষেত্রে তৃণমূল বিধায়কের নিশানায় রয়েছেন ডিএসপি আবু নূর হোসেন। এমনকী পুলিশকে অসভ্য বলেও আক্রমণ শানিয়েছেন প্রাক্তন এই মন্ত্রী। এদিন অখিল গিরিকে এদিন বলতে শোনা যায়, "এই অসভ্যর জন্যই অসুবিধা হচ্ছে। পুলিশের লোক আমাদের লোকজনের গায়ে হাত তুলেছে।"
অখিল গিরির আরও অভিযোগ, পুলিশ তাঁকে মেরেছে। পড়ে গিয়ে কোমর ও হাতে চোট পেয়েছেন তৃণমূল নেতা। তাঁকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রামনগর হাসপাতাল ভর্তি করে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। অখিল গিরিকে তমলুক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
কাঁথিতে সমবায় ভোট ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল। সকালে কাঁথিতে তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে রীতিমতো হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পুলিশের সামনেই শুরু হয় প্রবল অশান্তি। বিজেপির বুথে গিয়ে অখিল-পুত্র তথা কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরিকে রীতিমতো আঙুল উঁচিয়ে শাসানি দিতেও দেখা যায়। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সমবায় ভোট ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৃণমূলকেই দায়ী করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এদিন বলেছেন, "পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।"