
দুই তরুণ গল্পকার অম্লানকুসুম চক্রবর্তী ও শমীক ঘোষের দুটি গল্পের বই নিয়ে একসঙ্গে আলোচনা করলেন সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়।

“আনন্দ সংবাদ! আনন্দ সংবাদ! আগামী পয়লা অঘ্রাণ বিখ্যাত সাইক্লিস্ট মনোতোষ গুছাইতের আশ্চর্য সাইকেল-খেলা। তিনদিন সাইকেল থেকে মানুষ নামবে না।..."

এই সব উৎসবে নারীবাদ নিয়ে বক্তব্য রাখেন বলিউডি নায়িকা, ভারতের সাম্প্রতিক সাহিত্য নিয়ে জ্ঞানবাণী দিতে আসেন লন্ডনের মণীষী, সঙ্গীতের ভবিষ্যৎ নিয়ে লেকচার দিতে বম্বে থেকে উড়ে আসেন মিউজিক অ্যারেঞ্জার।

জমিজিরেত গ্রামোন্নয়ন নিয়ে পাঁচমিশেলি সমীক্ষার পরিচয়ও তাঁর উপজীব্য নয়। অর্থাৎ বাজারচালু সমাজ-সচেতনতার সহজিয়া সাধনাও তিনি পরিহার করেছেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে শ্রোতাদের মধ্যে হাজির ছিলেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ, বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায়। মূলত তরুণ প্রজন্মের সামনে রোদ্দূর একটি গানও গাইলেন। সঙ্গে বাজালেন উকুলেলে।

যাঁরা আমাকে গাল দিয়েছেন, সমালোচনা করেছেন, তাঁদের সকলকে আমার কুর্নিশ। আমার মনে হয়েছে, এঁরা সকলে রবীন্দ্রনাথকে ভালবাসেন, তাঁদের নিজেদের মত করে ভালবাসেন। আমি আমার মত করে ভালবাসি।

মানস ঘোষকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি সূচনা থেকেই পরিহার করেছেন পশ্চিম থেকে পাওয়া 'কর্তার ভূত'-এর বাণী যে একটি ঘন ইসলামি সংস্কৃতির নিষেধাজ্ঞা থেকে জন্ম নিয়েছে ইরানের নতুন চলচ্চিত্র সংস্কৃতি।

"আজ যে ভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস হচ্ছে, তার সঙ্গে বাবরি মসজিদ ধ্বংসও কোনওভাবেই তুলনীয় নয়"

২০১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যাসাগর পুরস্কার ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অকাদেমি পুরস্কার পান তিনি।

ওরা বুঝতে পেরেছিল। কিন্তু বোকার মতো ভিড় বাস থেকে মাঝপথে নেমে পড়ে। তারপরই... তারপরই রাস্তার ধারে খুনটা হয়।

দোতলার ঘরটিতে একটি অনির্বাণ আলো জ্বলছে। এত রাত্রে তিনি জেগে আছেন? বাইরের দিকের সিঁড়ি বেয়ে নিঃশব্দে দোতলার বারান্দায় উঠলাম।

আমার মনে হয়, জলপাইগুড়িতে থাকার সময় আমি কলকাতার গল্পই বেশি লিখেছি আর কলকাতায় আসার পর জলপাইগুড়ির গল্প।

রাধা বললেন, ঝম্পি ঘন গরজন্তি সন্ততি~ ভুবন বরিখন্তিয়া, কান্ত পাহুন কাম দারুণ, সঘন খরশর হন্তিয়া। প্রকৃতি রাজ্যে এই মিলনের উৎসব, অথচ আমার গৃহ শূন্য। রাধা তখন নিজের জন্য এক নতুন স্বপ্নলোক বুনলেন।

মুকুল চট্টোপাধ্যায় কী লিখছেন এখন? ‘বজ্রবিদ্যুৎ ভর্তি খাতা’-র পর নতুন কী লিখলেন জয় গোস্বামী?

একদিন বললেন, "হোস্টেলে (বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে) থাকিস, ভালো কিছু খাস না, আজ সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে আসবি।" গেলুম। নানা পদের খাবার, নিজেরই রান্না।

আমরা তো এ-বছরের প্রতিমা বিসর্জনের আগেই জেনে গেছি পরের বছর পুজোর সময় বৃষ্টির ভয় নেই, পুজো পেছিয়ে গেছে।

চমকে উঠলেন বসন্ত সাহা। এ কী পড়ছেন! দাঁড়িয়েই খোলা পাতার লাইন কটা পড়ে ফেললেন।