বড় খবর

‘দলে নবাগতদের সকলে ট্রোজান হর্স নয়’, তথাগতর উল্টোসুর স্বপণের

প্রকাশ্যে এল বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল।

Trojan horse Tathagata Roy Swapan Dasgupta
বিজেপির অন্দরে তুঙ্গে 'ট্রোজেন হর্স' বিতর্ক।

ভোটে বিপর্যয়ের পরই বিজেপির অস্বস্তি বাড়ছে। দল ছাড়ার হিড়িক। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতা, নেত্রীদের ঘরওয়াপসির বাসনা তুঙ্গে। যা দেখে চরম কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথাগত রায়। দত্যাগীদের ‘ট্রোজান হর্স’ বা ট্রয়ের সেই কাঠের ঘোড়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তথাগতবাবু। যাকে কেন্দ্র করে গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই বিতর্ক শুরু হয়। এ দিন এ ইস্যুতে টুইট করে সেই বিতর্ক আরও উস্কে দিয়েছেন বিজেপি নেতা স্বপণ দাশগুপ্ত। তথাগতর উল্টো সুর তাঁর টুইটে। স্বপণ দাশগুপ্তের সাফ দাবি, ‘২০১৯-র পর বিজেপি যোগদানী সকলে ট্রজান হর্স নয়।’ ফলে আবারও প্রকাশ্যে এল বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল।

কী লিখেছেন স্বপণ দাশগুপ্ত?

মুকুল রায় ইতিমধ্যেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তারপরই ‘বেসুরো’ পদ্মবনের বহু নেতা, নেত্রী। সোনালি গুহ, দিপেন্দু বিশ্বাস, অমল আচার্য, সরলা মুর্মুরা চিঠি লিখে জোড়াফুলে যোগ দেওয়ার কাতর আবেদন জানিয়েছেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যেও বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলছেন। উল্টো সুর সব্যসাচী দত্তেরও। এই পরিস্থিতিতে দলে নবাগতদের কেন প্রাধান্য দেওয়া হল- তা নিয়ে বিজেপির অন্দরে তীব্র বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে।

দলের বিপর্যেয়র জন্য পুরনো নেতৃত্বের অনেকেই এই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানকারী নবাগতদের দায়ী করছেন। তথাগত রায়ের মত নেতৃত্ব আবার নবাগতদের চরম কটাক্ষ করে ট্রয়ের সেই কাঠের ঘোড়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ‘বিজেপিতে থেকে তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন মুকুল রায়। উনি মমতার বিশ্বস্ত অনুচর আমরা সবাই জানি। বিজেপিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়েছে। রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠকে উপস্থিত থেকে দলের সব রণকৌশল জেনেছেন। আর তৃণমূলে ফিরে গিয়েই মমতার কাছে সব ফাঁস করে দিয়েছেন। স্পষ্টতই মুকুল রায় সেই ট্রোজান হর্স।’

আরও পড়ুন- Babul Supriyo: ‘কর্মীরা যখন মার খাচ্ছেন তখনই কেন দল ছাড়লেন মুকুল’, তোপ বাবুলের

এই প্রেক্ষিতেই এ দিন টুইট করেন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘২০১৯ সালের মে’র পর বঙ্গ বিজেপিতে যোগ দেওয়া সকলেই ট্রজান হর্স হিসাবে দেখা উচিত নয়। অনেক নতুন নেতারা আন্তরিকতার সঙ্গে নির্বাচনে দলের হয়ে কাজ করেছেন। তাঁরা যেন দলে নিজেদেরকে অপাংক্তেও না ভাবেন। রাজনীতি বাদ দেওয়ার খেলা নয়। বরং এখনই সমর্থন বাড়িয়ে নতুন নতুন নেতা তৈরির সময়।’

আরও পড়ুন- BJP: গুমরে গুমরে কাঁদছেন, তবে এখনই দল ছাড়ছেন না, দাবি বিজেপি নেতার

রবিবারই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দলে ‘বেসুরো’দের উদ্দেশ্য করে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। টুইটে তিনি লেখেন, ‘বিজেপিতে থাকতে হলে ত্যাগ-তপস্যা করতে হবে। যারা শুধু ক্ষমতা ভোগ করতে চান, তারা বিজেপিতে থাকতে পারবেন না, আমরাই রাখব না।’

দিলীপ ঘোষের এই বার্তাকে এ দিনের অন্য একটি টুইটে কার্যত সমর্থন করেছেন স্বপণ দাশগুপ্ত। টুইটে স্বপণবাবু জানিয়েছেন, ‘যারা রাজনৈতিক দলকে একাই ব্যক্তিগত মতামতের জায়গা হিসেবে দেখেন এবং তৃপ্তি লাভ করেন তাঁদের জন্য বিকল্প দরজা সবসময় খোলাই থাকে।’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Get the latest Bengali news and Politics news here. You can also read all the Politics news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: Everyone who joined bjp in bengal after may 2019 as trojan horses is wrong swapan dasgupta

Next Story
Babul Supriyo: ‘কর্মীরা যখন মার খাচ্ছেন তখনই কেন দল ছাড়লেন মুকুল’, তোপ বাবুলেরবাবুল সুপ্রিয়, মুকুল রায়, বিজেপি, তৃণমূলে মুকুল, বাবুলের ফেসবুক পোস্ট, Babul supriyo, Mukul Roy, BJP, Babul supriyo Facebook
The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com