/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/05/jorge-costa-death-2025-08-05-23-48-47.jpg)
Jorge Costa Death: মুম্বই সিটি এফসি-র প্রাক্তন কোচ তথা এফসি পোর্টো-র স্পোর্টিং ডিরেক্টর জর্জ কোস্টা (Footballer Death) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৩ বছর। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরবেলা আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
Footballer Death: আত্মঘাতী গোলই কাড়ল প্রাণ, গুলিতে ঝাঁঝরা তারকা ফুটবলার
দুপুরবেলা আচমকা শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেন
এফসি পোর্টো-র সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল 'এক্স'-য়ে এই শোকসংবাদ দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্লাবের ট্রেনিং কমপ্লেক্সে কোস্টা প্রথমে শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সময় যত এগোতে থাকে, পরিস্থিতি ততই গুরুতর হতে শুরু করে। শেষপর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ফুটবল সমর্থকদের কাছে 'বিস্ট' নামে সুপরিচিত ছিলেন জর্জ কোস্টা। ইতিমধ্যে এফসি পোর্টো এবং মুম্বই এফসি-র পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এফসি পোর্টো ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ক্লাবের ইতিহাসে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন জর্জ কোস্টা। ওঁর মৃত্যুতে আমরা সকলেই শোকস্তব্ধ এবং গভীর অনুতপ্ত। মাঠের ভিতরে হোক কিংবা বাইরে, ফুটবলের একাধিক মূল্যবোধ তাঁর থেকে শেখা গিয়েছে। দলের প্রত্যেক ফুটবলারের মধ্যে আত্মসমর্পণ, নেতৃত্ব, জেদ এবং জয়ের মনোভাব তিনিই ঢুকিয়ে দিয়েছেন। আপনি চিরকাল পোর্টো সমর্থকদের হৃদয়ে ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ক্যাপ্টেন, আপনাকে কোনওদিন আমরা ভুলব না।'
প্রখ্যাত ফুটবলার হিসেবে জর্জ কোস্টা যে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন, সেটা আর আলাদা করে বলার দরকার নেই। এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ২০১৮ এবং ২০২০ মরশুমে মুম্বই সিটি এফসি-র কোচ হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ওই ২ বছর তাঁর দল যথাক্রমে ISL পয়েন্টস টেবিলে তৃতীয় এবং পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিল।
Footballer Death: শরীরে বাসা বেঁধেছিল মারণ-রোগ, সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার
এবার জর্জ কোস্টার ব্যক্তিগত ফুটবল কেরিয়ার সম্পর্কে আলোচনা করা যাক। এফসি পোর্টোর প্রাক্তন অধিনায়ক হিসেবে তিনি মোট ৫৩০ ম্যাচ খেলেছিলেন। এফসি পোর্টোর হয়ে তিনি ৩৮৩ ম্য়াচ খেলেন। এর পাশাপাশি ২০০৩ সালে UEFA কাপ, ২০০৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সহ এই ক্লাবের হয়ে তিনি আটটি খেতাব জয় করেছিলেন। এছাড়া পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে তিনি ৫০ ম্যাচ খেলেছিলেন। করেছিলেন ২ গোল।