/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/08/kalyan-abhi-2025-08-08-15-30-14.jpg)
Abhishek Banerjee-Kalyan Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
Abhishek-Kalyan Banerjee meeting:সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক সদ্য লোকসভায় দলের চিফ হুইপের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার রাতে দুই সাংসদের বৈঠক হয়েছে। যদিও সেই বৈঠকে দু'জনের মধ্যে ঠিক কী কী কথা হয়েছে সেব্যাপারে দু'তরফেই বিশদে কিছু জানানো হয়নি। তবে বৈঠক নিয়ে মুখ খুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে।
সম্প্রতি লোকসভায় তৃণমূলের চিফ হুইপের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে এর আগেও একাধিকবার তাঁর প্রকাশ্যে মতবিরোধ হয়েছে। মহুয়া যেমন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে নানা সময় নানা মন্তব্য করেছেন। তেমনই কল্যাণও বরাবার মহুয়াকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদদের নিয়ে সম্প্রতি বৈঠক করেন। লোকসভায় দলের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে জানান তৃণমূল সুপ্রিমো। তারপর সেদিনই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দেন।
দলের পদ ছাড়ার পর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী দিল্লিতে দুই সাংসদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠক শেষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। যদিও বৈঠকের আলোচনা নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু জানাননি।
বৃহস্পতিবার রাতে ওই বৈঠক প্রসঙ্গে শ্রীরামপুরের সাংসদ আরও বলেছেন, "সব বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। খুব ভালো আলোচনা হয়েছে।" সাম্প্রতিক সময়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারকে দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে করা হয়েছে ডেপুটি চিফ হুইপ। দলের পদ ছাড়ার পর থেকেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে মুখ খুলে গিয়েছেন।
আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: 'প্রশাসনেও ঢুকে পড়ছে I-PAC', মারাত্মক অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর
তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও প্রকাশ্যে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কল্যাণ এমন বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। "মমতাদিকে যারা গালাগালি করেন, দিদি তাদেরই সম্মান দেন", এমনও মন্তব্য শোনা গিয়েছিল কল্যাণের মুখে। তবে কি এবার অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক শেষে আপাতত 'ধীরে চলো নীতি' নিচ্ছেন কল্যাণ? সময়ই তা বলবে।