/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/07/pm-narendra-modi-china-visit-2025-08-07-10-22-05.jpg)
এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
Modi China visit 2025:এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম মোদীর বেইজিং সফরকে কেন্দ্র করে চড়ছে কূটনীতির পারদ।
দীর্ঘ উত্তেজনার পর চিনের মাটিতে ফের পা রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেইজিংয়ে আয়োজিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। যদি অগাস্টের শেষের এই সফরটি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ২০১৮ সালের পর এটিই হবে মোদীর প্রথম চিন সফর, এবং ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরে তাঁর এই প্রথম বেইজিং পা রাখা।
আরও পড়ুন- ইউনূসকে 'আগুনে আক্রমণ'! 'গণতন্ত্রের কবরস্থানে'পরিণত বাংলাদেশ?
প্রসঙ্গত ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি আলোচনায় বসেন। পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত সেই বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়। বৈঠকে মোদী স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ‘‘সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সম্পর্ক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে গড়ে উঠুক।’’
আরও পড়ুন- 'কাউকে সাসপেন্ড করব না', নির্বাচন কমিশনকে তীব্র হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর
জবাবে চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আমাদের মত পার্থক্যগুলিকে দায়িত্বপূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে হবে। ভারত ও চিন এই দুই বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশ একসঙ্গে কাজ করে বিশ্বের কাছে ঐক্যের বার্তা দিতে পারে।’’ তবে সম্পর্ক উন্নয়নের মাঝে এখনও রয়ে গেছে অবিশ্বাসের রেখা। এপ্রিল ২০২৫-এ চিনের কিংডাওতে আয়োজিত এসসিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন। কারণ, ওই নথিতে ভারতের পহেলগাঁও কাণ্ডের উল্লেখ ছিল না। পরে আমেরিকা টিআরএফ (The Resistance Front)-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করলে চিন তাদের অবস্থানে বদল ঘটায় এবং ওই হামলার নিন্দা করে।
আরও পড়ুন- অষ্টমঙ্গলায় স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলেন জামাই, এখবর রটতেই ছিঃ ছিঃ করছে গোটা পাড়া!
এই পরিপ্রেক্ষিতে, মোদীর সম্ভাব্য চিন সফর শুধু এসসিও সম্মেলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন সমীকরণ তৈরির একটি 'মাইলফলক' হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদী এর আগে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ৫ বার চিন সফর করেছেন। তাঁর প্রথম চিন সফর ছিল ২০১৫ সালের ১৪-১৬ মে, এরপর ২০১৬ সালের ৪-৫ সেপ্টেম্বর জি-২০ সম্মেলনের জন্য, তৃতীয় সফর ২০১৭ সালে ব্রিকস সম্মেলনের সময়, চতুর্থ সফর ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে এবং পঞ্চম সফর ছিল ২০১৮ সালের ৯-১০ জুন, এসসিও সম্মেলনে অংশ নিতে। এবার সফরটি হলে এটিই হবে তাঁর ষষ্ঠ চিন সফর। গত ৭০ বছরে এটিই হতে চলেছে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সর্বাধিক সংখ্যক চিন সফরের রেকর্ড।