/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/30/radha-krishna-2025-08-30-02-29-48.jpg)
Radha Krishna: রাধাষ্টমী কবে?
Radha Ashtami: ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মের পর ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রাধার জন্মতিথি পালিত হয়। দিনটি রাধাষ্টমী নামে পরিচিত। হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী, রাধা হলেন শ্রীকৃষ্ণের চিরসঙ্গিনী ও প্রেমরূপিণী শক্তি। তাই জন্মাষ্টমীর পর রাধাষ্টমীর পালন ভক্তদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ধর্মগ্রন্থে উল্লেখ আছে যে, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমীতে মথুরার বারসনা গ্রামে বৃ্ষভানু ও কীর্তিদেবীর কোলে আবির্ভূত হন রাধারাণী। ভক্তদের বিশ্বাস, এই দিনে উপবাস ও পূজা করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয় এবং জীবনে শান্তি-সমৃদ্ধি আসে।
আরও পড়ুন- পোকা দানবের আতঙ্ক! বর্ষায় এই ঘরোয়া কায়দায় বাঁচান খাবার, শস্য
রাধাষ্টমী কখন?
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুসারে, এ বছর রাধাষ্টমী তিথি শুরু হবে ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৩ ভাদ্র শনিবার রাত ৮টা ৮ মিনিটে এবং শেষ হবে ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র, রবিবার রাত ১০টা ২ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডে। এক্ষেত্রে পূজা ও ব্রত পালনের মূল দিন হবে ৩১ আগস্ট ২০২৫। ভক্তরা সাধারণত মধ্যাহ্নকালীন সময়ে রাধার পূজা করেন। পূজার শুভ সময় রবিবার সকাল ১১টা ০৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৮ মিনিট পর্যন্ত।
আরও পড়ুন- বিশ্বখ্যাত বাঙালি ধর্মগুরু! বহু রাষ্ট্রনেতা ছিলেন শিষ্য, এই দিনে প্রয়াত হন মোহনানন্দ ব্রহ্মচারী
ভক্তরা এই দিনে উপবাস থেকে শুরু করে বিশেষ পূজা, ভজন-কীর্তন ও রাধাকৃষ্ণ মন্দির দর্শন করেন। অনেকেই ঘরে রাধাকৃষ্ণের মূর্তির সামনে ফুল, ফল ও দুধ-দই-ঘি নিবেদন করেন। উপবাস সাধারণত অন্ন পরিহার করে পালন করা হয় এবং পরের দিন পারণ সম্পন্ন হয়। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, রাধাষ্টমীর দিনে উপবাস ও পূজা করলে ভক্তের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ হয়। সংসারে সুখ, শান্তি ও সৌভাগ্য আসে। দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা ও সমন্বয় বৃদ্ধি পায়। ভক্তরা মুক্তি ও ভগবানের চিরসঙ্গ লাভ করেন।
আরও পড়ুন- মেডিক্লেম রিনিউ করার আগে এগুলো অবশ্যই জানুন, না হলে পস্তাবেন!
রাধারাণীর জন্মস্থান বারসনা (মথুরা, উত্তরপ্রদেশ)-এ এদিন বিশেষ উৎসবের আয়োজন হয়। হাজার হাজার ভক্ত সেখানে সমবেত হয়ে রাধাকৃষ্ণের মহিমা কীর্তন করেন। এছাড়াও বৃন্দাবন ও মথুরার মন্দিরগুলোতেও ব্যাপক উৎসবের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন- 'পাকিস্তানের চর'! স্টিফেন হাউস প্রচার, জানুন অতুল্য ঘোষের অন্য লড়াই
রাধাষ্টমী পালনের নিয়ম হল, ভক্তরা ভোরে স্নান সেরে পবিত্র বস্ত্র পরিধান করেন। রাধাকৃষ্ণের ছবি বা মূর্তির সামনে ফুল, ধূপ, প্রদীপ এবং ফল নিবেদন করেন। নাম জপ করতে হয় এবং সম্ভব হলে রাধা-কৃষ্ণ মন্ত্র পাঠ করতে হয়। উপবাস থাকলে ভক্তি এবং শক্তি বৃদ্ধি পায়। সন্ধ্যায় আরতি এবং কীর্তন করেন ভক্তরা।