AC Electric Bill: পুরনো এসি মানেই বেশি বিদ্যুৎ বিল? কীভাবে এই সমস্যা থেকে মিলবে রেহাই?

AC Electric Bill Savings Tips: পুরনো এসি থেকে বাড়াতে পারে আপনার বিদ্যুৎ বিলের খরচ। কখন এসি বদলানো উচিত? ইনভার্টার প্রযুক্তির সুবিধাই বা কী? জেনে নিন বিস্তারিত।

AC Electric Bill Savings Tips: পুরনো এসি থেকে বাড়াতে পারে আপনার বিদ্যুৎ বিলের খরচ। কখন এসি বদলানো উচিত? ইনভার্টার প্রযুক্তির সুবিধাই বা কী? জেনে নিন বিস্তারিত।

author-image
IE Bangla Tech Desk
New Update
AC

AC Electric Bill Savings Tips: পুরনো এসি কবে বদলানো উচিত?

AC Electric Bill: এই গ্রীষ্মে অনেকেই লক্ষ্য করছেন, ঘর ঠান্ডা করতে এসি আগের থেকে অনেক বেশি সময় নিচ্ছে, আর সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যাচ্ছে হু-হু করে। সেকথা মাথায় রেখে আপনি যদি ৮-১০ বছরের পুরনো এসি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এবার নতুন এসি কেনার কথা ভাবা জরুরি। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসি শুধু কুলিং কমায় না, বিদ্যুৎ খরচও বাড়িয়ে তোলে। চলুন জেনে নিই, পুরনো এসি কতটা ক্ষতি করছে এবং নতুন এসি কেন এখনই কেনা উচিত।

পুরনো এসি কেন বিদ্যুৎ বেশি খরচ করে?

Advertisment

এসি-র আয়ু সাধারণত ১০ থেকে ১৫ বছর। তবে ৮-১০ বছর পেরোলেই এসি-র ভিতরের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ—কম্প্রেসর, কনডেনসার, মোটর, ফ্যান—তাদের কার্যকারিতা হারাতে শুরু করে। ফলে এসি-কে ঘর ঠান্ডা করতে বেশি সময় এবং শক্তি খরচ করতে হয়।

আরও পড়ুন- ইলেকট্রিক গাড়ির দুনিয়ায় 'গ্র্যান্ড এন্ট্রি', পুজোর আগেই লঞ্চ e-Vitara SUV, মারুতির বড় চমক!

Advertisment

এছাড়া বেশিরভাগ পুরনো এসি-তেই ইনভার্টার টেকনোলজি থাকে না। ইনভার্টার এসি তাপমাত্রা অনুযায়ী কম্প্রেসরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। সাধারণ এসি-তে কম্প্রেসর বারবার বন্ধ ও চালু হয়, যাতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হয়।

আরও পড়ুন- বর্ষায় ফ্রিজে ইঁদুর পচা গন্ধ? কীভাবে মিনিটে দূর করবেন, জানুন এই সিক্রেট পদ্ধতি

সমস্যার কিছু লক্ষণ: ঘর ঠান্ডা হতে সময় নেয়, এসি চালু হলেই ব্রেকার বা MCB ট্রিপ করে, কনডেনসার ইউনিট থেকে জোর আওয়াজ হয়, গ্যাস লিকেজের গন্ধ পাওয়া যায়, খুব বেশি ধুলো ও মরিচা পড়ে যায়।

বিদ্যুৎ বিল পুরনো এসি-তে কেন বাড়ে?

  1. লোয়ার স্টার রেটিং: পুরনো এসিগুলোতে সাধারণত ২ বা ৩ স্টার থাকে। এগুলোর Energy Efficiency Ratio (EER) কম, ফলে Power Consumption বেশি।

  2. মোটরের ও কনডেনসারের দক্ষতা কমে যাওয়া: দীর্ঘদিন ব্যবহারে এই যন্ত্রাংশগুলোর কার্যকারিতা কমে যায়, ফলে এসি-কে বেশি পরিশ্রম করতে হয়।

  3. রেফ্রিজারেন্ট লিক: এই সমস্যায় এসি ঘর ঠান্ডা করতে অক্ষম হয়, ফলে আরও দীর্ঘ সময় ধরে চলে।

  4. সার্ভিসিং না করানো: নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হলে এসি ধুলোয় ভর্তি হয়ে যায় এবং কুলিং কমে যায়।

নতুন ইনভার্টার এসি কেনা কেন ভালো?

৩০-৪০% বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, ইনভার্টার এসি বিদ্যুৎ খরচ কমায়। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে সমস্যা কম হয়, কম শব্দ হয়, দীর্ঘদিন চলে। তাপমাত্রা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় গতি নিয়ন্ত্রিত হয়, যা অত্যন্ত আরামদায়ক ব্যাপার। 

আরও পড়ুন- সাধের পোষ্যের সঙ্গে এবার মন খুলে কথা! অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাল AI

কবে নতুন এসি কেনা উচিত?

এসি যদি ৮-১০ বছরের বেশি পুরনো হয়, প্রতি মাসে ইলেকট্রিক বিল যদি অস্বাভাবিক বেশি আসে, ঘর ঠান্ডা হতে যদি অনেক বেশি সময় লাগে, সার্ভিসিং খরচ যদি বেশি বেড়ে যায়। 

আরও পড়ুন- BSNL-এর বড় বাজি! ১৮০ দিন আর রিচার্জে কোন চিন্তা নেই, অ্যাকটিভ থাকবে সিম, পাবেন সুপারফাস্ট কানেক্টিভিটি

অর্থনৈতিক দিক থেকেও লাভজনক

পুরনো এসি মেরামতের খরচ যেমন বেশি, তেমনি বিদ্যুৎ বিলও দীর্ঘ মেয়াদে অনেকটাই বেড়ে যায়। একবার নতুন ইনভার্টার এসি কিনে ফেললে আপনি পরবর্তী ৮-১০ বছরে প্রায় ২০-৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় করতে পারেন।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের সমস্যার জন্য পুরনো এসি দায়ী হতে পারে। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ইনভার্টার এসি শুধু বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে না, বরং কুলিংও ভালো করে। তাই সময় থাকতে থাকতেই যদি আপনার এসি ১০ বছরের বেশি পুরোনো হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেরি না করে নতুন ইনভার্টার এসি কিনে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

Bill Electric Ac