/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/01/kalyan-banerjee-jagdeep-dhankhar.jpg)
সাংসদ কল্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়।
Jagdeep Dhankhar's birtday greetings to Kalyan Banerjee: গত মাসেই মিমিক্রি বিতর্কে উত্তাল হয়েছিল জাতীয় রাজনীতি। উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের রোষে পড়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও মিমিক্রিকে 'শিল্প' বলে দাবি করেছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সেই তীব্র বাদানুবাদে কী ইতি পড়ল? কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালেন খোদ উপরাষ্ট্রপতি। এমনকী সস্ত্রীক তাঁকে নৈশভোজেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। ধনখড়ের এই আচরণে তিনি 'অবিভূত' বলে দাবি করেছেন কল্যাণ।
কী জানিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়?
এক্স হ্যান্ডলে শ্রীরামপুরের সাংসদ লিখেছেন, 'জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য মাননীয় উপরাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ। আমি অভিভূত যে, উনি আমার স্ত্রীকে ফোন করে আমার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আমার পরিবারে শুভকামনা জানিয়েছেন। আমায় এবং স্ত্রীকে দিল্লিতে ওঁর বাড়িতে নৈশভোজের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।'
I thank Hon'ble @VPIndia for his warm greetings on my Birthday. I'm overwhelmed that he personally had a telephone conversation with my wife and conveyed his blessings to my entire family.
He also invited my wife and me to have dinner at his residence in Delhi with his family.— Kalyan Banerjee (@KBanerjee_AITC) January 4, 2024
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ তাঁর (জগদীপ ধনখার) ফোন পেলাম। আমরা শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম এবং তিনি আমার স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বললেন। আমরা যখন দিল্লিতে থাকব তখন উপরাষ্ট্রপতি আমাদের তাঁর বাড়িতে নৈশভোজের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগলো। আমি ওঁর সঙ্গে এর আগেও কথা বলেছি…'
উপরাষ্ট্রপতির এই শুভেচ্ছা ও আমন্ত্রণ যথেষ্ট ইঙ্গিতবহ। উপরাষ্ট্রপতি ও তৃণমূল সাংসদের মধ্যেকার বরফ গলল? বিষয়টি সেরকম মনে হলেও এ নিয়ে কোনও পক্ষই কিছু স্পষ্ট করেননি।
আরও পড়ুন-তৃণমূল ‘সেনাপতি’কে বাঁদরের সঙ্গে তুলনা প্রবীণ বিধায়ক আব্দুল করিমের, কুণালকে বহিষ্কারের দাবি
মিমিক্রি বিতর্ক
সংসদে নিরাপত্তা লংঘন ইস্যুতে ডিসেম্বরে উত্তাল হয়েছিল লোকসভা ও রাজ্যসভা। এ নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছিল বিরোদী সাংসদরা। দাবিপূরণ না হওয়ায় সংসদ কক্ষেই হইহট্টগোল জুড়েছিলেন বিরোধী সাংসদরা। যা অসংসদীয় বলে অভিযোগ ওঠে। নজিরবিহীনভাবে উভয়কক্ষ মিলিয়ে দেড়শর বেশি বিরোধী সাংসদকে শীতকালীন অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয়। প্রতিবাদে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী দলেন সাংসদরা।
আরও পড়ুন-ফের ভারতে সেরার সেরা বাংলার সম্পদ, রাজ্যের পঞ্চরত্ন পাচ্ছে জিআই তকমা
বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের নকল করে বিতর্কে জড়ান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ। এই ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করতে দেখা যায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে। এই ঘটনায় সরব হন খোদ রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। রাজ্যসভায় জগদীপ ধনখড় বলেছিলেন, ' এই ধরনের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। এক জন সাংসদ নকল করছেন এবং আর এক জন সাংসদ ভিডিয়োগ্রাফি করছেন।'
আরও পড়ুন-ঐতিহ্যবাহী কার্জন গেট তৈরি মমতার আমলে! সায়নীর ইতিহাস ওলটপালট মন্তব্যে জোর শোরগোল
মিমিক্রিয় নিন্দায় সরব হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে পাল্টা ধনখড় দাবি করেছিলেন, কোনও অপমানই তাঁর কাজের ধারাকে বদলাতে পারবে না। যদিও ওই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ না করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, মিমিক্রি হল শিল্পের এক প্রকাশ।
আরও পড়ুন-